699BET: মুন্দো দেপোর্তিভো: ফ্লিক দুটি প্রকল্প তোলেন, বার্সা আগে জিম বাড়াবে
699BET শেয়ার করছে: মুন্দো দেপোর্তিভোর খবর অনুযায়ী, বার্সেলোনা ক্লাব সম্প্রতি গাম্পের স্পোর্টস সিটি
মুন্দো দেপোর্তিভোর খবর অনুযায়ী, বার্সেলোনা ক্লাব সম্প্রতি গাম্পের স্পোর্টস সিটির নির্মাণ পরিকল্পনার অগ্রাধিকার বদলেছে। প্রধান কোচ ফ্লিক দায়িত্ব নেওয়ার পর দুটি অবকাঠামোগত চাহিদা তুলেছিলেন: এক, প্রথম দলের জন্য আলাদা হোস্টেল ভবন; দুই, জিম সম্প্রসারণ। এখন ক্লাব টাকা জড়ো করে আগে জিম নির্মাণ নিশ্চিত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে, হোস্টেল প্রকল্প আপাতত স্থগিত।

আসল পরিকল্পনা ছিল তিতো ভিলানোভা প্রশিক্ষণ মাঠের পাশে একটি হোটেলধাঁচের হোস্টেল বানানো, যেখানে প্রথম দলের খেলোয়াড়রা ম্যাচের আগের ক্যাম্পে বা প্রশিক্ষণের পর বিশ্রাম নেবেন। ফ্লিক বার্সায় আসার পর ঘরের ম্যাচের আগেও পুরো দলকে ক্যাম্পে রাখার অভ্যাস ফিরিয়ে আনেন, তাই হোস্টেলের প্রয়োজন বেশ জরুরি ছিল। ক্লাব আগে এই প্রকল্প অনুমোদনও করেছিল।
তবে সর্বশেষ খবর, প্রকল্পের বাজেট অনেক বেড়ে গেছে। আগে ধরা হয়েছিল 60 লাখ ইউরো, এখন আনুমানিক খরচ 1 কোটি 20 লাখ থেকে 1 কোটি 40 লাখ ইউরোতে উঠেছে। দ্বিগুণ খরচের মুখে ক্লাব নির্মাণ থামানোর সিদ্ধান্ত নেয়। এর মানে প্রকল্প পুরোপুরি বাতিল নয়, কেবল দ্বিতীয় পর্যায়ে পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে।
তার তুলনায় ফ্লিকের শারীরিক দ্বন্দ্ব ও ফিটনেস প্রশিক্ষণের চরম তাগিদ নতুন জিমকে সবচেয়ে জরুরি কাজ করে তুলেছে।
এখন প্রথম দলের জিম স্পোর্টস সিটির ভেতরের একটি ভবনে। যে দল ক্রমেই শক্তি প্রশিক্ষণ, শারীরিক পুনরুদ্ধার ও ব্যক্তিগত বিশেষ প্রশিক্ষণের ওপর জোর দিচ্ছে, তার জন্য বর্তমান জায়গা অনেক ছোট।
ফ্লিকের চাহিদা মেটাতে নতুন জিম সরাসরি প্রশিক্ষণ মাঠের ধারেই তৈরি হচ্ছে। ভবনটি এখন আকার নিয়েছে, মূল কাঠামো মোটামুটি শেষ। নতুন জিমের বড় বৈশিষ্ট্য মেঝে থেকে ছাদ পর্যন্ত বড় কাচের জানালা। ঘরের ভেতর শক্তি, নমনীয়তা বা গতির প্রশিক্ষণের সময়ও খেলোয়াড়দের চোখ বাইরের ঘাসের সঙ্গে যুক্ত থাকে।
এখনকার বার্সার জন্য খেলোয়াড়দের শারীরিক মান বাড়ানোই প্রতিযোগিতার মূল কাজ। তাই ক্লাব সীমিত টাকা আগে সেই জিমে ঢালছে, যা সরাসরি প্রশিক্ষণের মান বাড়ায়। খেলোয়াড়দের থাকার হোস্টেলকে আরও অপেক্ষা করতে হবে।
১৮+ ও দায়িত্বশীল ব্যবহার স্মরণিকা
এই তথ্য প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য। স্থানীয় আইন, পেমেন্ট নিরাপত্তা, অ্যাকাউন্ট সুরক্ষা এবং ব্যক্তিগত বাজেট সীমা মেনে চলুন। OTP বা পাসওয়ার্ড কখনও শেয়ার করবেন না।